গত ২৮ জুন ২০২২ খ্রিস্টাব্দ কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলার পিপুলিয়া বাজার সংলগ্ন কোদালিয়া এলাকার আরিবা ডেইরী এন্ড ফ্যাটেনিং ফারম টি পরিদর্শন করা হয়। জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার এর নেতৃত্বে পরিদর্শন টীমে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মঞ্জুর আলম ভুইয়া, নমুনা সংগ্রহ সহকারী মোঃ নাজমুস সাকিব ও অফিস সহায়ক। এ সময় খামারের স্বত্বাধিকারী জনাব মোঃ আনিসুর রহমান ও উপস্থিত ছিলেন।
খামারে দুগ্ধ উৎপাদনকারি ও মাংস উৎপাদনকারী উভয় ধরনের গরু ছিল। দুগ্ধ উৎপাদনকারী গাভীর সংখ্যা ছিল ২৫ টি এবং ওই খামারের দৈনিক ২২০-২৫০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। যে শেডে গাভি পালন করা হচ্ছে তা অত্যন্ত অপরিষ্কার ও নোংরা পাওয়া গিয়েছে। এর ফলে গাভীর বিভিন্ন রোগবালাই হওয়া এবং দুধের গুনগত মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ ব্যাপারে খামারের মালিক ও শ্রমিকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
গাভী থেকে দুধ সংগ্রহ করার পর থেকে বিক্রয় করার সময় ৬/৭ ঘণ্টা। যা দুধের মাইক্রোবিয়াল লোড বৃদ্ধি করে এর গুণগত মান নষ্ট করে। দুধ দ্রুত শীতলীকরণের কোন ব্যবস্থা ওই খামারে ছিল না। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খামার মালিক কে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
ওই খামারে গরু মোটাতাজা করণ এর জন্য ৭০ টি গরু পালন করা হয়। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এসব গরু প্রস্তুত করা হচ্ছিল। খামারের গরু ও গাভীদের প্রতিদিন খাবারে গমের ভুসি, খৈল, ভুট্টা, কাঁচা ঘাস, ধানের কুড়া এবং সিদ্ধ করা ভাত ও মিষ্টি কুমড়া দেওয়া হয়। খামারের মালিক সকল প্রাণির ভ্যাকসিনেশন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান। পরিদর্শনকালে খামার মালিক কে প্রাণিদের উপর কোন রকমের স্টেরয়েড, গ্রোথ হরমোন, ক্ষতিকর রাসায়নিক ও এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়। উক্ত খামারে কিছু ভেড়া ও ছাগল পালন করা হয়। পরিদর্শন শেষে খামার মালিক ও শ্রমিক দের নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ মোতাবেক বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয় এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস